চট্টগ্রাম, , বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০

বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোহিতা আরও বৃদ্ধি করতে চাই কোরিয়ান প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-১৫ ১০:০৯:১০ || আপডেট: ২০১৯-০৭-১৫ ১০:০৯:১০

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা ইতিবাচক। তাই এখানে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোহিতা আরও বৃদ্ধি করা হবে। রবিবার ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত ‘কোরিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম’-এ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী লি নাক ইয়োন এসব কথা বলেন।

তিনি বাংলাদেশে অবকাঠামো, জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আরও বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এফবিসিসিআই ও কেআইটিএ (কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন) যৌথভাবে এ ফোরামের আয়োজন করে।

এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য উপস্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ফোরামে উপস্থিত ছিলেন। ফোরামে এফবিসিসিআই সহসভাপতিরা, পরিচালকরা এবং এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি, সংগঠনের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানরাসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিরা অংশ নেন।

ফোরামের শুরুতে সকালে ‘কোরীয় সরকারের নতুন দক্ষিণ নীতি ও কোরিয়া-বাংলাদেশ সহযোগিতা কৌশল এবং ‘কোরিয়া-বাংলাদেশ সহযোগিতার সর্বোত্তম চর্চা বিষয়ে দুটি সেশন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম সেশনে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী সদস্য নাভাশ চন্দ্র ম-ল এবং কোরিয়া পক্ষ থেকে কেটি করপোরেশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ডল সুন জু প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। দ্বিতীয় সেশনে কেইপিজেডের সভাপতি জাহাঙ্গীর সাদাত এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল কবির প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি কোরিয়াকে বাংলাদেশের অন্যতম বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, কোরীয় প্রধানমন্ত্রীর এই বাংলাদেশ সফর দেশ দুটির মধ্যে সব ক্ষেত্রেই সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বক্তব্যে বলেন, কোরিয়া বাংলাদেশে ষষ্ঠ বৃহৎ বিনিয়োগকারী দেশ। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহায়তায় শিল্প মন্ত্রণালয় তাদের কার্যকর উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, গত অর্থবছরে বাংলাদেশ এবং কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ ও বাণিজ্য ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার ব্যবসা পরিচালনা সহজ করার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে।

বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স, অটোমোবাইল, টেলিযোগাযোগ, জাহাজ নির্মাণ, রাসায়নিক ও স্টিল শিল্পে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সহায়তার পাশাপাশি হালকা, মাঝারি ও ভারী শিল্পের জন্য যৌথ উদ্যোগে উচ্চ প্রযুক্তির গবেষণা, উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের প্রস্তাব দেন তিনি।

কেআইটিএর চেয়ারম্যান মি. ইয়াং জু কিমও ফোরামে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানের শেষে বাংলাদেশ ও কেআইটিএ (কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম ও কেআইটিএর চেয়ারম্যান মি. ইয়াং জু কিম স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

ট্যাগ :