চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০

বিদেশি গুঁড়া দুধ যেন বাজার দখল না করে : হাইকোর্ট

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-২৯ ১৬:২২:১৬ || আপডেট: ২০১৯-০৭-২৯ ১৬:২২:১৬

ডেস্ক রিপোর্ট: মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া যাওয়ায় ১৪ কোম্পানির প্রস্তুতকৃত দুধের উৎপাদন ও বিক্রিতে পাঁচ সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞার সুযোগে বিদেশি পাউডার দুধ যেন বাজার দখল করতে না পারে সেদিকে সতর্ক থাকতে বলেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার ২৯ জুলাই বিচারপতি মো.নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই মন্তব্য করেন।

শুনানিতে আদালত বলেন, ‘দুধ উৎপাদক কোম্পানি এবং খামারিদের ক্ষতিগ্রস্ত করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। মানবস্বাস্থ্যের জন্য দুধে ক্ষতিকারক কিছু না থাকুক, সেটিই আমরা চাই।’

এ সময় তরল ও গুঁড়া দুধের ওপর পরবর্তী আদেশের জন্য ২০ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়।

শুনানিতে বাংলাদেশ খাদ্য কর্তৃপক্ষের হয়ে অংশ নেন আইনজীবী মোহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম। বিএসটিআই’র পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সরকার এম আর হাসান মামুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না।

প্রসঙ্গত, ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি তাদের এক গবেষণা তথ্য অনুযায়ী গরুর দুধে ক্ষতিকর ব্যকটেরিয়া, অ্যান্টিবায়োটিক, দইয়ে ক্ষতিকর সিসা ও গোখাদ্যেও মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশকসহ নানা ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক পাওয়া গেছে বলে জানান। এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওইসব প্রতিবেদন আমলে নিয়ে হাইকোর্ট গত ১১ ফেব্রুয়ারি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল ও আদেশ জারি করেন। আদালত ঢাকাসহ সারা দেশের বাজারে কোন কোন কোম্পানির দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্যপণ্যে কী পরিমাণ ব্যাকটেরিয়া, কীটনাশক এবং সিসা মেশানো রয়েছে, তা নিরূপণ করে একটি জরিপ প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ দেন। জাতীয় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও বিএসটিআইকে এ আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত রবিবার লাইসেন্সধারী সব ব্র্যান্ডের পাস্তুরিত দুধে ক্ষতিকর উপাদান আছে কিনা সে বিষয়ে চারটি প্রতিষ্ঠানের ল্যাবের পরীক্ষা প্রতিবেদন নিয়ে শুনানি করেন হাইকোর্ট। শুনানি শেষে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের বেঞ্চ ১৪ কোম্পানির দুধ উৎপাদন ও বিক্রিতে ৫ সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

ট্যাগ :