চট্টগ্রাম, , বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১

আনোয়ারায় বারশত ইউনিয়নের সনদ ব্যবহার করে বাসিন্দা দাবী

প্রকাশ: ২০১৯-১১-২৫ ১৩:৩২:১২ || আপডেট: ২০১৯-১১-২৫ ১৭:০১:০৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: আনোয়ারার ২নং বারশত ইউনিয়নে এক ভুয়া বাসিন্দার সন্ধ্যান মিলেছে।সে দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের সনদ ব্যবহার করে আসছেন বলে জানা যায়।

অনুসন্ধানে পাওয়া যায়, সোহাগ তালুকদার প্রকাশে সোহাগ খা, সে বারশত ইউনিয়নের বাসিন্দা দাবি করলেও সে আসলে বারশত ইউনিয়নের বাসিন্দা নয়।সে বারশত ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রাপ্ত সনদে যে ঠিকানা ব্যাবহার করেছেন সেটি পুরাটাই মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রবন।

মরহুমের ঔয়ারিশগন জানান,সোহাগ নামে মরহুম আবদুস সালামের কোনো ঔয়ারিশ নেই।কিন্তু তার সকল সনদ ও ভোটার কার্ডে রয়েছে আবদুস সালাম পরিচয়।সেই তথ্যটি পুরাপুরি মিথ্যা বলে দাবি করেছেন ঔয়ারিশগন।

সোহাগের প্রকৃত পরিচয় পাওয়া যায়,মোঃ সোহাগ প্রকাশে সবুজ,বাবাঃ চান খা,মাতাঃমেরী বেগম,বরফকল,বরিশাল।কি কারনে সে নিজ পরিচয় গোপন করে বরিশাল থেকে চট্টগ্রামে পাড়ি জমিয়েছেন তা এখনো রহস্যময়।

তবে ছলছাতুরী নাম ও ঠিকানা ব্যাবহার এর কারন হিসাবে পাওয়া যায় সোহাগের বহুদিনের স্বপ্ন ছিল চট্টগ্রাম থেকে বিয়ে করে চট্টগ্রামবাসী হবেন। আর সেই সুত্রধরে সোহাগ প্রথমে একটি বিয়ে করেন আনোয়ারা ছত্তারহাট উশকাইন গ্রাম থেকে। পরে বউয়ের গায়ের থেকে গন্ধ আসছে বলে সামান্য অযুহাতে হামিদা নামক অবলা নারীর কোমলমতি মনটি ভেঙ্গে দেয়া হয়। দেয়া হয় তাকে ডিভোর্স। পরে সত্য গোপন করে বারশত ইউনিয়নের ওয়াহেদ পাড়া থেকে দ্বিতীয় বিবাহ করেন। আস্তে আস্তে নিজেকে দাবী করতে থাকে বারশতের স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে।

বিষয়টির সত্যতা লোকমুখে জানাজানি হলে শহরে গিয়ে গা ঢাকা দিয়ে সরে পরেন সোহাগ।আত্বগোপনে থেকেও বারশতের পরিচয়ে বিভিন্ন ফায়েদা লুটে চলেছেন।

এ ব্যাপারে সোহাগের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি কল রিসিভ করেনি।

ট্যাগ :