চট্টগ্রাম, , মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১

সরকারি প্রতিষ্ঠানে ইয়াবা ব্যবসা ও ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশ: ২০২০-১২-২৯ ২১:১৯:৫২ || আপডেট: ২০২০-১২-২৯ ২১:১৯:৫২

কুতুবদিয়া প্রতিনিধি: কুতুবদিয়া সরকারি প্রতিষ্ঠানে ইয়াবা ব্যবসা ও ইয়াবা সেবন এবং নারী কেলেঙ্কারী ঘটনার ভিডিও ভাইরাল নিয়ে দ্বীপ তথা ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষ করে দ্বীপের প্রত্যন্ত অঞ্চল তাবলরচর গ্রামের বন বিভাগের বিট কার্যালয়ে প্রকাশ্যে ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল নিয়ে টক অপ দ্যা কুতুবদিয়া।

উপকূলীয় বন বিভাগের নিয়ন্ত্রনাধীন কুতুবদিয়া উপজেলা রেঞ্জের অনুকূলের তাবলরচর বিট কার্যালয় প্রকাশ্যে ইয়াবা সেবন ও নারী কেলেঙ্কারী ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হলেও প্রশাসনের নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে জনমনে। তাবলরচর বিট অফিসের বন প্রহরী আতিকুর রহমান র্দীঘ ১৮ মাস ধরে এলাকায় ইয়াবা ব্যবসার পাশাপাশি ইয়াবা সেবন ও নারী কেলেঙ্কারী ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে। এলাকার লোকজন বাঁধা দিলে বন মামলায় আসামী করার হুমকি দিলে এলাকার লোকজন নীরব ভূমিকা পালন করে।

এ বিষয়ে কুতুবদিয়া উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক ও আলী আকবর ডেইল ইউপির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুচ্ছাফা বিকম বিগত তিন মাস পূর্ব থেকে উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভায় উপস্থাপন করে গেলেও কর্তৃপক্ষ তা র্কণপাত করেনি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে স্থানীয় মেম্বার মাহামুদুল করিম মনু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বন প্রহরী আতিকুর রহমান ইয়াবা ব্যবসা ও স্বয়ং অফিসে আসর বসিয়ে ইয়াবা সেবন করে যুব সমাজ ধ্বংস করে যাচ্ছে। বাঁধা দিলে মামলার হুমকি দেয়। এ ছাড়াও কৈয়ারবিল ইউপির ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য নজরুল ইসলাম টিটু ও বন প্রহরী আতিকুর রহমান স্থানীয় কয়েকজন বখাটে যুবক মিলে ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল নিয়ে এলাকায় মিশ্রপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় রুহুল কাদের বলেন, তাবলরচর বন বিভাগের বিট অফিসের অধিনে ঝাউবাগান,বাইন গাছ প্রতিনিয়তই প্রকাশ্যে জ্বালানীর কাজে কাঠ হিসেবে বিক্রি করে এবং বিট অফিসের জায়গা লিজ দিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে ঐ টাকায় ইয়াবা ব্যবসা ও সেবন করে যাচ্ছে। বিট অফিসের এরিয়ায় বিভিন্ন বিধবা ও সুন্দরী নারীদেরকে শীতকালীন শাকসবজির চাষ করার সুযোগ দিয়ে যৌন কেলেঙ্কারী ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

এ ব্যাপারে কুতুবদিয়া উপকূলীয় বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বন প্রহরী আতিকুর রহমান কর্মস্থলে ইয়াবা কারবার ও ইয়াবা সেবনের বিষয়ে শুনেছেন। তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে তিনি জানান।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার ২৯ ডিসেম্বর দুপুরে সরেজমিনে তাবলরচর বন বিভাগের বিট অফিসে গেলে অভিযুক্ত বন প্রহরী আতিকুর রহমানকে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি। অফিস তালাবদ্ধ ছিল। ঘটনার ব্যাপারে জানার জন্য বন প্রহরী আতিকুর রহমানকে মুঠোফোনে কল করলে সংযোগ পাওয়া যায়নি। তাই তার বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।

ট্যাগ :