চট্টগ্রাম, , বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০

‘মরিয়ম’ খেজুর প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা

প্রকাশ: ২০১৮-০৫-১৯ ১৪:০১:৩৫ || আপডেট: ২০১৮-০৫-১৯ ১৪:০৩:২৭

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক ||প্রকাশ:২০১৮-০৫-১৯||০৭:৩০:১১পিএম

 

 প্রতিবছর রমজান মাস এলেই কোনো কারণ ছাড়া খেজুরের দাম বেড়ে যায়। এ সময়ে চাহিদার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ে সব ধরনের খেজুরের দাম। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এরই মধ্যে বেড়ে গেছে খেজুরের দাম।

শনিবার বেশ কয়েকটি ফলের বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে খেজুরের দাম কেজিতে মান ভেদে বেড়েছে ২০০ থেকে ৫০ টাকা।

ক্রেতাদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত মজুদের পরেও বাজারে এর বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

নিউমার্কেটে ফলের দোকানে ফল কিনতে আসা মফিদুল ইসলাম সোহেল বলেন, ‘ইফতারিতে খেজুর আল্লাহর রহমত স্বরূপ। সুন্নত জেনেই আমাদের এই পণ্যটির প্রতি এখন চাহিদা বেশি থাকে। কিন্তু এ বছর পণ্যের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে সবকিছু প্রতিকূলে চলে যাচ্ছে।’

প্রায় একই কথা জানান ক্রেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘রমজান মাস এলেই খেজুরের দাম বেড়ে যায়। বিক্রেতারা এই এক মাসকে কেন্দ্র করে বেশি মুনাফা পেতে চান। এদিকে বিপাকে পড়তে হয় আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের।’

তবে খুচরা বিক্রেতারা জানান, রোজা শুরুর প্রথম দিকে চাহিদা বেশি থাকায় পাইকারি ব্যবসায়ীরা এর সুযোগ নিয়ে বেশি দামে বিক্রি করে, তাই আমাদেরকেও বেশি দামে বিক্রি করতে হয়। তবে সরবরাহ আরো বাড়লে ও চাহিদা একটু কমলে রোজার এক সপ্তাহের মধ্যে দাম স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

বিক্রেতারা বলেন, বাজারে নানা ধরনের খেজুর আছে। এর মধ্যে  ‘মরিয়ম’ খেজুর এখন কিনতে হচ্ছে প্রতি ৫ কেজি ৩ হাজার ৫০০ টাকায়। আমরা সেটাকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। ভালো খেজুরের বেশি দাম, আর অপেক্ষাকৃত নিম্নমানের খেজুরের দাম কম নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন ধরনের খেজুরের মধ্যে ইরানের মরিয়ম, দুবাইয়ের সায়ের, ইরাকের জাহিদি, আরব আমিরাতের বোমান, বারহি, বরই ও নাগাল বেশি বিক্রি হচ্ছে। এগুলোর মধ্যে মানভেদে গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছে।

ট্যাগ :