চট্টগ্রাম, , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

ওসি মোয়াজ্জেমের জামিন নামঞ্জুর

প্রকাশ: ২০১৯-০৬-১৭ ১৫:১৯:৫২ || আপডেট: ২০১৯-০৬-১৭ ১৫:১৯:৫২

নয়ন: ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোয়াজ্জেম হোসেনের জামিন নামঞ্জুর করেছেন সাইবার ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৭ জুন) দুপুর ২:৩৫ মিনিটে সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন তাকে কারাগারে পাঠানোর এই আদেশ দেন। এর আগে ২:২০ মিনিটে ওসি মোয়াজ্জেমকে আদালতে হাজির করা হয়।

আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবী ফারুক আহমেদ ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি মোয়াজ্জেমের জামিনের আবেদন করেন। অন্যদিকে মামলার বাদী ব্যারিস্টার সাইয়্যেদুল হক সুমন জামিনের বিরোধিতা করেন।

আগামী ৩০ জুন ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত। ওইদিন আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সোনাগাজী থানার তিনজন পুলিশের কাছে ওসি মোয়াজ্জেমকে হস্তান্তর করে শাহবাগ থানা পুলিশ। পরোয়ানা জারির ২০ দিন পার হওয়ার পর বহু আলোচনা-সমালোচনার পর রবিবার (১৬ জুন) রাজধানীর শাহবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

উল্লেখ্য, মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহানকে ৬ এপ্রিল পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এর কিছুদিন আগে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ জানাতে সোনাগাজী থানায় যান নুসরাত। থানার তৎকালীন ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন সে সময় নুসরাতকে আপত্তিকর প্রশ্ন করে বিব্রত করেন এবং তা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। ওই ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলে আদালতের নির্দেশে সেটি তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পিবিআই ২৭ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিলে ওই দিনই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। পরোয়ানা জারির দুইদিন পর মোয়াজ্জেম হোসেন হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। এরপর থেকে পলাতক ছিলেন মোয়াজ্জেম। তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছিল না পুলিশের, এমনকি তিনি আত্মসমর্পণও করেননি।

পরে গত ৮ মে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়। মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে তিনি রংপুর রেঞ্জ অফিসে যোগ দেন। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর তিনি সেখান থেকে নিরুদ্দেশ হন।

ট্যাগ :