চট্টগ্রাম, , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

চট্টগ্রাম কলেজে জানাযাকে কেন্দ্র করে দু-গ্রুপের সংঘর্ষ

প্রকাশ: ২০১৯-০৬-২২ ১৭:০৭:১৮ || আপডেট: ২০১৯-০৬-২২ ১৭:০৭:১৮

এ.এস.রানা: প্যারেড ময়দানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মুমিনুল হক চৌধুরীর জানাযার আয়োজন করা হয়। অন্যদিকে জানাযাকে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ করেছে চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ।

শনিবার (২২ জুন) দুপুরে জানাযার নামাজের প্রস্তুতি শুরু হয়,ঠিক তখনই চট্টগ্রাম কলেজ ক্যাম্পাস থেকে মিছিল নিয়ে প্যারেড ময়দানের দিকে আসে কলেজ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। তবে কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদুল করিম ও সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিকের নেতৃত্বে বের হওয়া এ মিছিল প্যারেড ময়দানে ঢুকতে দেয়নি পুলিশ। তাই তাদের অনেক ক্ষোভ প্রকাশ করে শ্লোগান দিতে থাকে।

শুক্রবার (২১ জুন) রাতে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন জামায়াত নেতা মুমিনুল হক চৌধুরীর। তার জানাযা শনিবার জোহরের নামাজের পর প্যারেড ময়দানে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেন তার পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু জানাযায় জামায়াত-শিবিরের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নিতে প্যারেড ময়দানে আসেন। তাদের দেখে আস্তে আস্তে কলেজ প্রাঙ্গন উত্তপ্ত হতে থাকে। এক পর্যায়ে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করে কলেজ ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা।

ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল শেরে বাংলা হোস্টেলের সামনে এলে দুপক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় চলে। এসময় আহত হন কয়েকজন।পরে পুলিশ গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অবস্থান নেয়। পুলিশী হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে তারপর জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন জানান, সংসদ সদস্য আবু রেজা নদভীর শ্বশুর জামায়াত নেতা মুমিনুল হক চৌধুরীর জানাযাকে কেন্দ্র করে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্যারেড ময়দানের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এ সময় জানাযায় আসা জামায়াত-শিবিরের নেতা কর্মীদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়।

তিনি আরো বলেন, বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ দুই পক্ষের মাঝখানে অবস্থান নেয়। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের শেরে বাংলা হোস্টেলের সামনে এবং জানাযায় আসা জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের প্যারেড ময়দানে ব্যারিকেডে রেখে জানাযা শেষ করা হয়।
‘জানাযা শেষে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা চলে গেছে। এখন পরিস্থিতি পুরাপুরি শান্ত রয়েছে।

ট্যাগ :