চট্টগ্রাম, , সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

বাড়বকুন্ড ভূলাইপাড়া যুব উন্নয়ন সংগঠনের উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপিত

প্রকাশ: ২০১৯-১১-১৬ ১৭:৩৬:১১ || আপডেট: ২০১৯-১১-১৬ ১৭:৩৬:১১

নিজস্ব প্রতিবেদক: বায়তুশ শরফ মজলিসুল ওলামা বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা মামুনুর রশীদ নূরী বলেছেন, রাসুলে করিম(স) এর চারিত্রিক মাধুর্য্যতা ছিল অসাধারণ। তিনি সকল গুনের আধার, অন্যদিকে ছিলেন সকল মানবীয় দোষ ত্রুটি হতে পুতপবিত্র। তাঁর পুরো জীবনটাই হচ্ছে সমগ্র মানবজাতির জন্য অনুকরনীয় ও অনুস্বরনীয়।

শনিবার ১৬ নভেম্বর সীতাকুন্ড উপজেলার বাড়বকুন্ড ভূলাইপাড়া যুব উন্নয়ন সংগঠনের উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী (স) উপলক্ষ্যে আয়োজিত ওয়াজ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান ওয়ায়েজের আলোচনায় মাওলানা মামুনুর রশীদ নূরী উপরোক্ত কথা বলেন।

আবদুল আলী মুহুরী জামে মসজিদ মাঠ প্রাঙ্গণে মসজিদ কমিটির সভাপতি নাছির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুর সোলায়মানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মাহফিলে তিনি আরো বলেন, রাসুলে করীম (স:) পৃথিবীতে শুভাগমন ঘটে বিশ্বমানবতার বিপর্যয়ের এক চরম মুহুর্তে। যখন তৎকালীন আরবে মানুষ মানবীয় গুণাবলী ও চারিত্রিক আদর্শ হারিয়ে পাপাচারে ঘোর অন্ধকারে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল। মানব ইতিহাসে একমাত্র মহানবী (স) সভ্যতার বিকাশ ও অসভ্যতার বিনাশ ঘটিয়ে সর্বোচ্ছ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।
মাওলানা নূরী আরো বলেন, মহানবী (স:) সুন্দর ব্যবহার ও উত্তম চারিত্রিক মাধুর্য্যতা দ্বারা মানবিক গুণাবলী ও সামাজিক মূল্যবোধেরও শিক্ষা দিয়েছেন। সাথে সাথে তিনি আল্লাহর একত্ববাদের স্বীকৃতি ও তাঁরই আনুগত্যের মাধ্যমে মানব জীবনের ঐশী আলোকে বর্বও যুগের শত শত বর্ষেও পূজীভ’ত অন্ধকার বিদুরিত করে বিভ্রান্ত ও আত্মভোলা মানব জাতিকে হিদায়তের পথ দেখিয়েছেন।

প্রধান অতিথি রাসুলে করীম (স:) কে মানব ইতিহাসের মহান শিক্ষক উল্লেখ করে বলেন, তিনিই এমমাত্র বিশ্বেও অজ্ঞতার আর মুর্খতার অন্ধকার দূরীভূত কওে সর্বাঙ্গীন সুখ ও শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যে কয়েকটি মৌলিক নীতিমালা পেশ করেছেন সেটাই হলো ভ্রাতৃত্ব সাম্য ও সকল ধর্মের মানুষের সহাবস্থানের ও জীবনাদর্শকে জীবনের সকল ক্ষেত্রে অনুস্বরণ ও বাস্তবায়নের জন্য মুমিন মুসলমানদের প্রতি আহবান জানান।
মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন বাড়বকুন্ড ইউপি চেয়ারম্যান ছাদাকাত উল্লাহ মিয়াজী। বিশেষ বক্তা ছিলেন মাওলানা হারুনুর রশীদ, মাওলানা মোজাম্মেল হোসেন প্রমুখ।

ট্যাগ :