চট্টগ্রাম, , শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

পানছড়ি মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২০২০-০১-২৩ ১৫:৫৮:০৬ || আপডেট: ২০২০-০১-২৩ ১৫:৫৮:০৬

মিঠুন সাহা,পানছড়ি খাগড়াছড়ি: খাগড়াছড়ির জেলার সীমান্তবর্তী পানছড়ি উপজেলায় সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে নবাগত শিক্ষার্থী,এসএসসি সাধারণ ও এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠান ২০২০ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ২৩ জানুয়ারি সকাল ১১ টার সময় পানছড়ি সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয় মাঠে সুসজ্জিত মঞ্চে উক্ত অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বেলি চাকমার সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক জেমিল চাকমার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানছড়ি উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

এই সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মনিতা ত্রিপুরা, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক প্রীতি রঞ্জন চাকমা, ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবকবৃন্দ সহ প্রমুখ।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বেলি চাকমা এসএসসি ও ভোকেশনাল বিদায়ী ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা যেন একেক জন নক্ষত্র হয়ে জ্বলে উঠতে পারো, ভালো ও আদর্শ মানুষ হয়ে উঠতে পারো আমাদের এই আশীর্বাদ তোমাদের প্রতি সবসময় থাকবে। তিনি নবাগত শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা মেনে পাঠদানে মনোযোগী হওয়ার আহবান জানান।

তিনি আরো বলেন, বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষার্থী যদি জেএসসি ও এসএসসিতে জিপিএ ৫ পায়, তাহলে আমরা বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাদের বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থান বিশ্ববিদ্যালয়, জাদুঘর ইত্যাদিসহ যত গুরুত্বপূর্ণ স্থান আছে তাদের ভ্রমণে ঘুরতে নিয়ে যাবো। এটা আমাদের প্রতিশ্রুতি। এই বছর জেএসসিতে সুদেব চাকমা জিপিএ পাওয়ায় আমরা তাকে মার্চের দিক দিয়ে ঢাকায় নিয়ে যাবো। গত তিন বছর যাবৎ আমরা তা করে আসছি এবং তা অব্যাহত থাকবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, জীবন গড়ার জন্য প্রকৃষ্ট সময় হচ্ছে এখন।এই সময় তোমরা পড়ালেখায় পূর্ণ মনোযোগী হয়ে নিজেকে এগিয়ে নিতে সবসময় সচেষ্ট থাকবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, সব সময় পাঠ্যবই ছাড়াও বিভিন্ন লেখক সহ ভালো ভালো বই লাইব্রেরিতে আছে।তোমরা তা সংগ্রহ করে পড়বে।এটা তোমাদের ইতিবাচক মানসিকতা গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে করে বলেন, বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে কোনো শিক্ষার্থীর মোবাইল ব্যবহার করার কথা না। এখন অনেক ছাত্রছাত্রীর হাতে মোবাইল দেখা যায়। একজন শিক্ষার্থী দিনের ১৬ ঘন্টা থাকে অভিভাবকদের কাছে। আর ৮ ঘন্টা থাকে বিদ্যালয়ে। এই মোবাইলের কারণে যদি কোন শিক্ষার্থী ফলাফল খারাপ করে তাহলে আমাদের অভিভাবকরা দোষ দেয় শিক্ষকদের। নিজের সন্তানের বিষয়ে নিজেদের যত্নশীল হতে হবে। তিনি এই মনোভাব পরিবর্তন করে সকল অভিভাবকদের আরো সচেতন হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান।

ট্যাগ :