চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১

‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ স্বীকৃতি অর্জনের নেপথ্যে

প্রকাশ: ২০১৭-১১-০৫ ০৪:৩৩:০০ || আপডেট: ২০১৭-১১-০৫ ০৪:৩৩:০০

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো’র ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসাবে স্বীকৃতি অর্জনের পর আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। জাতির জনকের ঐতিহাসিক ভাষণটি ইউনেস্কো’য় জমা দেয়ার পর সংশ্লিষ্টরা গোপনীয়তা রক্ষা করে আসছিলেন।

কিভাবে ইউনেস্কো’র স্বীকৃতির মাধ্যমে এই ভাষণ আন্তর্জাতিক ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্ট্রারে’ জায়গা করে নিয়েছে- এর নেপথ্যের দীর্ঘ প্রক্রিয়াসহ অজানা অনেক তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ২০১২ সালে সরকার কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম. শহিদুল ইসলামকে ফ্রান্সে রাষ্ট্রদূত ও ইউনেস্কো’য় স্থায়ী প্রতিনিধি হিসাবে নিয়োগ করে। তিনি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি বাংলাদেশের ঋদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ইউনেস্কো’র মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার জন্য ‘সাংস্কৃতিক দূতিয়ালি’ শুরু করেন। এই দূতিয়ালিতে ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ হিসাবে জামদানি, মঙ্গলশোভাযাত্রা অন্তর্ভুক্ত হয়। ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসাবে সুন্দরবন, বাগেরহাট, পাহাড়পুর ইত্যাদি থাকলেও ‘ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্ট্রারে’ বাংলাদেশের কোন প্রামাণ্য ঐতিহ্য ছিল না। এই তালিকার স্বীকৃতির জন্য রাষ্ট্রদূত জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের কথা চিন্তা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে আলোচনা করেন।

এই তালিকায় আগে শুধু পাণ্ডুলিপিকে বিবেচনা করা হতো। ৭ই মার্চের ভাষণ লিখিত না হওয়া কিংবা পাণ্ডুলিপি না থাকায় শুরুতে ইউনেস্কোয় জমাদানের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়। পরে সংস্থাটি ডিজিটাল ডকুমেন্টকেও প্রামান্য ঐতিহ্য হিসাবে স্বীকৃতির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে। এতে বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চের ভাষণের অডিও ভিজ্যুয়াল দলিল জমাদানের বাধা দূর হয়।

ট্যাগ :